Skip to content

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি ২০২৪

বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে সেরা ব্যাংক গুলোর মধ্যে একটি হলো ইসলামী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছে তাদের অসংখ্য অনেক ভালো ভালো সার্ভিস, ঠিক এটি ভাবে এখন ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি চালো করেছে। আপনি যদি টাকার জন্য প্রবাসে যেতে না পারেন তাহলে ইসলামী ব্যাংক আপনাকে সাহায্য করবে। 

আপনার কাছে যদি একটি বৈধ ভিসা থাকে তাহলেই আপনি ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতির জন্য আবেদন করতে পারবেন, তবে এই লোন শুধু মাত্র যারা কর্মী হিসাবে প্রবাসে যাবে কাজ করার জন্য তাদেরকেই দেওয়া হবে। আপনি যদি স্টুডেন্ট ভিসা কিংবা টুরিস্ট ভিসায় প্রবাসে যান তাহলে ইসলামী ব্যাংক আপনাকে এই লোন প্রধান করবেনা। 

এছাড়াও আপনি যদি অবৈধ ভাবে প্রবাসে যেতে চান তাহলেও ইসলামী ব্যাংক আপনাকে প্রবাসী লোন দিবেনা, শুধু মাত্র একটি বৈধ ভিসা দিয়ে আপনি ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতির সুবিধা নিতে পারবেন। 

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি কিভাবে কাজ করে? কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয় লোন পেতে হলে? কত দিনের জন্য লোন নেওয়া যায়? কত শতাংশ সুদ দিতে হয়। 

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতির জন্য ডকুমেন্ট

  • ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পেতে হলে আপনার অবশ্যই একটি ভিসা থাকতে হবে, ভিসা হাতে পাওয়ার আগে লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। 
  • পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি। 
  • ভোটার আইডি কার্ড। 
  • ২ জন গ্যাঁড়ান্টার থাকতে হবে, অবশ্যই তাদের ভালো পরিমান সম্পদ থাকতে হবে, যাতে করে আপনার অবর্তমানে গ্যাঁড়ান্টার আপনার কিস্তি গুলো পরিশোধ করতে পারে। 

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন এর জন্য আবেদন পক্রিয়া

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন এর জন্য আবেদন করার আগে অবশ্যই আপনার সকল তথ্য গুছিয়ে নিবেন, মনে রাখবেন ভিসা এবং পাসপোর্ট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। 

  • প্রথমে ইসলামী ব্যাংকএর যেকোন শাখা থেকে তাদের প্রবাসী লোন আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করুন এবং সেটা সঠিক ভাবে সঠিক তথ্য দিয়ে পুরন করুন, খেয়াল রাখবেন এটায় যেনো কোন ধরনের ভুল না হয়। 
  • ফর্ম পূরণ করার পর আপনার ভিসা, পাসপোর্ট, ভোটার আইডি কার্ড, ছবি ও গ্যাঁড়ান্টারের ভোটার কার্ড, ছবি এবং অন্যান্য সকল ডকুমেন্ট একসাথে করে স্টেপ মেরে ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি ফর্মটির সাথে যুক্ত করে দিন। 
  • তারপর ফর্ম সহ সকল ডকুমেন্ট ব্যাংকে জমা দিন, মাত্র এই দুটি পক্রিয়া অনুসন্ধান করে আপনারা প্রবাসী লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। 

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন এর জন্য আবেদন জমা দেওয়ার পর আপনার কাজ শেষ, এখন ব্যাংক আপনার সকল তথ্য অর্থাৎ ভিসা এবং অন্যান্য ডকুমেন্ট যাচাই করে দেখবে যে আপনি লোন পাওয়ার জন্য যোগ্য কি না, আপনি যদি লোন পাওয়ার জন্য যোগ্য না হন তাহলে ইসলামী ব্যাংক আপনাকে কারণ সহ জানিয়ে দিবে। 

ইসলামী ব্যাংক কেন প্রবাসী লোন প্রধান করে? 

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি দেওয়ার প্রথম কারণতু অবশ্যই মুনাফা অর্জন করা, তবে আমরা জানি যে ইসলামী ব্যাংক শুধু মুনাফার জন্য তারা কাজ করে থাকে সাধারণ মানুষের জন্য। 

আমরা জানি যে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের অনেক বেশি অভাব, একি সাথে বাংলাদেশের প্রবাসী রা দেশকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুবিকা রাখছে, সারা পৃথিবীর মধ্যে ২০২৩ সালের প্রবাসী রেমিটেন্সের পরিমান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বাংলা টাকায় ২ লক্ষ্য ৫৩ হাজার কোঁটি। এই পরিমান যে শুধু মাত্র টাকার অংকে বড় এমনটা নয়, এই পরিমান পৃথিবীর সকল দেশের মধ্যে ৭তম। 

এই জন্য প্রবাসীদের যেমন সুযোগ করে দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার তেমনি ভাবে ইসলামী ব্যাংক প্রবাসিদের সুযোগ করে দিচ্ছে, সেই সাথে তাদের ব্যাংকে পচুর পরিমান ডলার দুখবে এটাও আরেকটি কারণ হতে পারে। 

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন সুদের হাঁর

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী ব্যাংক লোনের সুদের বর্তমানে নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছেনা, কারণ একটি লোনের সুদের হাঁর কত শতাংশ হবে তা নির্ধারণ করা হয় লোনের টাকা এবং কিস্তির উপর, তাই সুদের হাঁর সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে আপনার এলাকা অথবা নিকটস্থ শাখায় যোগাযোগ করুন। 

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন কত টাকা প্রধান করে?

ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোনের জন্য ৩ থেকে ৫ লক্ষ্য টাকা প্রধান করে, এবং প্রবাসী লোন সর্বোচ্ছ দুই বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হয়। 

উপসংহার

আমরা আপনাদের ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী লোন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছি, আশা করছি এই পোষ্ট থেকে আপনারা কিছু জানতে পেরেছেন। 

তবে আমি আপনাদের লোন নিতে আগ্রহ প্রধান করছিনা, কারণ লোন দেওয়া – নেওয়া এবং জামিনদার হওয়া হারাম।

লোন সংক্রান্ত আরও পোষ্ট

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *